Diary Enties
সুরঞ্জনা, ওইখানে যেওনাকো তুমি
নক্ষত্র, আজকে জীবনানন্দ হলে হয়ত তোমার স্টোরি দেখে সকালের মধ্যে একটা নতুন কবিতা লিখে ফেলতাম "আকাশলীনা ২" । যেভাবে সব কিছুর সিক্যুয়েল হয় এখন তাতে এই নামই ভরসা ছিল।
কিন্তু আমি জীবনানন্দ নই, আর তুমিও সুরঞ্জনা নও, তুমি নক্ষত্র।
সত্যি বলতে আজকে থেকে ৬-৭ বছর আগে আমি এই পরিস্থিতি থেকে স্টোরিটা দেখলে ভালোবাসার দোকান গুটিয়ে পালাতাম। ওই সুদর্শন যুবক তোমার সম্পর্কে যা ই হোক না কেনো। ভাই, ছায়া - প্রেমিক কিংবা শুধুই ভালো বন্ধু। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে আমার খুব মাথা ব্যাথা নেই, কারন আমি যে পথের মুসাফির, সেখানে প্রশ্নের, অনুভূতির চেয়ে বড় এই সফর। ঈশ্বরের আশীর্বাদে মাথার ছেঁড়া তার রি-ওয়্যারিং করে জোড়া-তালি দেবার যে প্র্যাক্টিস আমি করছি তাকে অসম্মান করাও হত বটে। সর্বোপরি যে নক্ষত্রকে আমি ভালবেসেছি তাকে তো কেউ নিতে পারবে না। তাকে আমার থেকে কেড়ে নেবার ক্ষমতা কারোর নেই। সাত আসমান উলটে গেলেও না। এসব হয়ত আমাকে প্রেমিকদের বোকাতম শ্রেনিভুক্ত করে। তবে সব অসাধারন গল্পের শুরু খুব সাধারন এর মধ্য দিয়েই। এসব জ্ঞানগর্ব কথা আর দর্শনের চেয়ে সবচে বড় যে সত্যি তা হলো, আমার মত অস্থির মস্তিষ্কের জন্যে তোমাকে বিনা প্রাপ্তির আশায় ভালবেসে যাওয়া আমার জন্য এক বারোমাসি রোজা; নফস এর বিপরীতে, পক্ষে আর চারিপাশে আমার এক যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা যেখানে নিজেকে সংযত, স্থির রাখার আর লম্বা সফর।
মাঝে মাঝে মনে হয় মানুষের মস্তিষ্ক আর সামাজিক কমপ্লেক্সিটিস প্রয়োজনের তুলনায় একটু বেশি জটিল। এই যেমন মেটিং প্রসেস। অবশ্য প্রানিকূলের অন্যান্য যে সব প্রজাতি (কাক, রাজহাস, পেঙ্গুইন, ডল্ফিন...) মনোগ্যামাস সেখানেই সাফারিংস আছে,। বায়োলজি সাজেস্ট করছে মানুষ প্রকৃতিগত ভাবে ইভোলিউশন এর বর্তমান স্টেইজে পেয়ার বনডিং এর দিকেই বেশি ঝুকেছে অর্থাৎ মনোগ্যামি। তবুও বেড়ে ওঠার প্রয়োজনে হার্টব্রেক অভিজ্ঞান করেই মানুষ চাইতে না চাইতেও। যেমনটা তুমি বলেছ: মানুষ তার বর্তমান যে রূপ, এটা তার পুরো জীবনের সব অভিজ্ঞতার সমষ্টি।
আমি মাঝে মাঝে লেখার কিছু খুজে পাই না, আবার মাঝে মাঝে গরুর রচনা থেকে কুমিরের রচনায় চলে যাই।
আজ এপর্ন্তই।
তোমার উষ্ণতায়
- কক্ষপথ বাসি।