নক্ষত্রাঞ্জলি

Diary Enties

নক্ষত্র, অনুভূতি আর একাকিত্বের সান্ত্বনা

March 6, 20262 min readDiary Enties

নক্ষত্র, আজকে রাস্তায় একটা বাচ্চার কান্না দেখতে দেখতে মনে হচ্ছিল আমরা জীবনের এই বড় বেলায় এসে অনুভূতি লুকোতে লুকোতে এতটা স্টিফ হয়ে যাই জীবনে!!

ভেবে দেখেছ কি কখনও? ছোটবেলায় ব্যাথা পেলে, কষ্ট পেলে আমরা সুর ছেড়ে চিৎকার করে কাদতাম, কান্না শেষ হলে হালকা লাগত, বা একটু পর ভুলেও যেতাম। কষ্ট পুষে রাখতাম না। মন নির্ভার থাকত। জীবন কত সহজ ছিল!

আসলে মানুষের ভালো থাকার এই সবচে ভালো সমীকরণ! নিজের ছোটবেলার দিকে তাকানো! নিজের অনুভূতিকে চেনা আর সম্মান করা। কষ্ট পেলে কাঁদো, রাগ হলে রাগ করো, খুশি থাকলে মন খুলে হাসো। তবে সমাজ বিনয় কে ভাবে দুর্বলতা। বিশেষ করে জেন্ডার assigned রোলে আমার যেভাবে আজীবন রোল প্লে করে যেতে হয় সামাজিকতা রক্ষার খাতিরে।

মানুষ মূলত একা কিন্তু আমাদের ডিজাইন বলে আমরা সামাজিক জীব। মানুষ আসলেই একা থাকতে পারে না। বায়োলজিকালী সেটা অনেকটা ইম্পসিবল। But definitely possible to master , and people often get used to being alone. ভালো থাকি, খারাপ থাকি, মানুষ হিসাবে শেয়ার করতে না পারলে যেন সব বিপত্তি। আমার তো মনে হয় মানুষ যে মানুষের সুখ দেখলে হিংসায় পড়ে ক্ষতি করার চেষ্টা করে তার মূল কারণ সে নিজে যে প্যাথেটিক, এই দল ভারী করা। রিলেট করতে পারার যে অনুভূতিটা দিন শেষে। পজিটিভ হোক আর নেগেটিভ, দিনশেষে একটা জিনিস সবচে বড় শান্তনা, At Least I am not alone, there are others like me.

এই এন্ট্রি টা প্রচুর ডালপালা ছড়াতে চাইছিল কিন্তু আমি শুধু মাত্র ইমিডিয়েট অনুভূতিটাই শেয়ার করলাম।