নক্ষত্রাঞ্জলি

Letters

ব্লু মুড আর তোমার জাদু

March 10, 20262 min readLetters
Artwork for ব্লু মুড আর তোমার জাদু

নক্ষত্র,

আমার মন বিশেষ ভাল নেই, দিনের বেলা ব্যস্ততার মধ্যে কাটলেও, বাসায় ফেরার পর এক অজানা Blue বাসা বেধেছে।

তোমার ডিভাইস চুরি যাওয়া, একটা ছোট্ট কারনে বসের রুড বিহ্যাভ, সব মিলিয়ে কিঞ্চিৎ ভারি লাগছে।

I guess, বস খারাপের জন্যে বলে না কিছুই। ডেফিনিটলি তার নিজের একটা মেথড অব ওয়ার্ক আছে, ওয়ে আছে, কিন্তু স্ট্রং কোন কারন ছাড়া একটা ইফেক্টিভ অল্টারনেটিভ ওয়ে কে ডিসমিস করে দেওয়া, এবং রুডলি সেটাকে কমপ্লিটিলি ভুল বলা টা কে কোন ভাবে সমর্থন করা যায় বলো?!

I wish তোমাকে পাশে বসিয়ে দুজনে দুটো কফি নিয়ে ভেন্ট করতে পারতাম, বিভিন্ন পারস্পেক্টিভ থেকে তোমাকে বলে বোঝানোর চেষ্টা করতে পারতাম যে কেন বস রং আর আমি রাইট!!

তোমাকে লিখতে বসা তাই, মন ভালো করার ম্যাজিক্যাল ওয়ে।

ধরো, তুমি যদি কোনদিন আমার জীবনে আসো, তখন যদি আমাদের কখনো ঝগড়া হয়, তখন আমরা একটা কাজ করতে পারি: দুজন সজ্ঞানে কথা বলা বন্ধ করে শুধু চিঠিতে যোগাযোগ করব। একটা টেবিলে রুমের সব আলো নিভিয়ে শুধু সুগন্ধি মোম জ্বালিয়ে, দুজনের দুটো ফাউন্টেন পেন আর পেপার নিয়ে বসে নীরবতাকে সাক্ষি রেখে এক পৌরানিক খুদে বার্তা প্র্যাক্টিসে ঝগড়া করব!

এটা বলতে বলতে আরেকটা ফান এক্টিভিটির কথা মাথায় আসছে! তা হলো গানে গানে উত্তর দিতে হবে। মানে মনে করো তোমার পয়েন্ট উপস্থাপন করতে তুমি যেকোন গানের থেকে যে কোন অংশ গেয়ে, এভাবে পাল্টাপাল্টি টার্ন করে গান করতে হবে। কেউ যদি কোন গান আর খুজে না পায় তাহলে সে হেরে যাবে।

*

নক্ষত্র, তুমি কি কখনো কারো গান হয়েছ? হয়ত হয়েছ, সাথে হয়ত কবিতা হয়েছ, চিঠি পেয়েছ, ফুল পেয়েছো! তুমি আমার muse. তোমাকে সাবজেক্ট করে আমি সুযোগ হলে কোনদিন একটা লিটারেরি কমপিলেশন করব। আমার জগতে আমি খুবিই স্বাধিন নক্ষত্র। তোমাকে গানে, কবিতায়, গল্পে, ডায়রি এন্ট্রিতে সবখানে সাজাতে পারি। কিন্তু তোমাকে কোনদিন সুযোগ পেলে গানে সাজানোর আমার স্বপ্ন বলতে পার!

আমার পিয়ানোর হাতে মরচে পড়ে গেছে, গলাতে আরো বেশি তবে একটু ধার দিলে সব ফিরে পাব। তোমাকে সুরে সুরে সাজাতে পারলে সেটাকে আমি একটা অর্জন হিসেবে জাহির করতে পারব।

*

নক্ষত্র, দেখোই না, তোমাকে লিখতে লিখতে মন ভাল হয়ে গিয়েছে বুঝতেই পারিনি। তুমি একটা ম্যাজিক! প্লিইইজ আমার হয়ে যাও!

*

আজ আর না। তোমার আলোয়, উষ্ণতায় কক্ষপথের বাসিন্দা।