নক্ষত্রাঞ্জলি

Letters

বিষাদ চাই শুধু, রৌদ্র শহরে

February 22, 20262 min readLetters

"বিষাদ চাই শুধু, রৌদ্র শহরে- ........আর ভালোবাসা নক্ষত্র প্রহরে"

নক্ষত্র, আমি জানি তুমি আমার নও। তোমাকে চাইবার মত যোগ্যতাও আমার নেই। তবে বিষাদ তো আমার হতে পারে, তার কোন আপত্তি নেই।

যতই আমি কলমের আঁচড়ে বা কীবোর্ডের কিস্ট্রোকে তোমাকে ভালোবাসি, বাস্তবতাকে আমি ভুলে যাই না, কারণ এই বাস্তবতাই আমাকে শিখিয়েছে জীবনের ব্যাকরণ। ঈশ্বরের অনাগ্রহে আমার মত faulty হিউম্যান স্পেসিমেন পৃথিবীতে আসে, যাদের ফ্যাক্টরি সেটিংসেই গলদ।সেখানে নিজের দুর্দশা নিয়ে দু:খ পোষণ করে কি লাভ?! আমার বা আমাদের বাস্তবতা বাংলা সিনেমার মত। তুমি আসমান এর তারা আর মাটির বামন। প্রচলিত আছে ' অভাব থাকলে ভালোবাসা জানালা দিয়ে পালায় ' যদিও কথাটা আর্থিক লাভ ক্ষতির কিন্তু পার্সপেক্টিভটা অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আমাদের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা সামাজিক ডগমা আর আমার বাস্তবতা। ব্যাপারটা আমি কোনভাবেই মেনে নিতে পারিনা, তোমার মত এত সুন্দর মনের মানুষকে কেন খুঁজে পেলাম, আর প্রেমেই কেন পড়তে হলো আমাকে! আমি জানি দিনশেষে আমি নিজেকে হাসির পাত্র বানাচ্ছি। আবার নিজেই নিজের অবস্থানের বিপরীতে গিয়ে দুটো ফিলোসফিক্যাল ব্যাখ্যা দাঁড় করাচ্ছি। তবে এ তো সত্যি যে: পৃথিবীতে devotion আর "চেষ্টা" বা "অধ্যবসায়" এর সুফল আছে বা একটা মূল্য আছেই। আবার বাস্তবতা ভুলে শুধু অধ্যবসায় পোষাও বোকামো।

এই নিউরোডাইভারজেন্ট ব্রেইন, আসলে কি? অভিশাপ না আশির্বাদ? এত অপ্রয়োজনীয় পারস্পেক্টিভ ভাবার কি আছে, আমি নিজেও বুঝে পাই না।

তবে কেয়াফুল, জীবনে আমার যাই হোক, আই সিমপ্লি কানট কুইট ইউ। কারন বাস্তবতার যাচিত আর যাপিত দু:খের মাঝে তুমি আমার ইম্যাজিনারি হোম। তোমাকে ছাড়া আমার চলবে না। নিজের মাল্টিপল স্বত্ত্বার সাথে যতই গোল টেবিল বিতর্কে বসি, তোমার প্রতি আমার ভালবাসাটাই জিতে যায়। (I'm not schizo, just my sane mind's deployed multiple overthinking agents) মনে মনে বলি, "নক্ষত্রের ক্ষেত্রে, আমার শুধু আবেগ কাজ করে, বিবেক কম" আর এটাই আমাকে সবচে বেশি মানুষ করে তোলে।

তোমাকে চাইবার, ভালবাসবার শুরু আছে, শেষ নেই-

তাই, আলো দাও মৃদু দিক দর্শাও মিটিমিটি

-- তোমার কক্ষপথবাসী।